Wednesday February 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ০৫:২১ PM

ঘটনাপুঞ্জ

কন্টেন্ট: পাতা

মোঃ মকবুল হোসেন মৃধা, পিতা: মোঃ আব্দুল গফুর মৃধা , গ্রাম: মাদাই, ডাকঘর: পাঁচগ্রাম, উপজেলা: কালাই, জেলা: জয়পুরহাট। তিনি ২০০২ সালে প্রথম মৎস্যচাষ শুরু করেন। তিনি উপজেলা মৎস্য দপ্তর কালাই, জয়পুরহাট থেকে পরামর্শ গ্রহন এবং মাছচাষ বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহনের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করেন। শুরুতে তার পুকুর ছিলো ০১ টি, সফলভাবে মাছচাষ করার ফলে বর্তমানে তাহার পুকুরের সংখ্যা ১৩ টি, যেগুলোর সর্বমোট আয়তন ৫০ বিঘা। তিনি কার্প মিশ্রচাষ, শিং- মাগুর-তেলাপিয়া মাছ চাষ এবং পাঙ্গাস মাছ চাষ করেন। বছরে তাহার মাছের উৎপাদন ৮৪ মেট্রিক টন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। তিনি বাড়ির আঙ্গিনায় হাউজে শিং মাছ চাষে একজন সফল চাষী।বর্তমান সময়ে তিনি একজন সফল মৎস্যচাষি উদ্যোক্তা হিসেবে সুপরিচিত।কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মৎস্য সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম । জনাব মোঃ মকবুল হোসেন মৃধা তার মৎস্য খামার পরিচালনার জন্য প্রায় ২৬ জন শ্রমিক নিয়োজিত করে থাকেন । শ্রমিকরা খামার পাহাড়া দেয়া, মাছের খাদ্য প্রয়োগ এবং পুকুরে মাছ ধরার কাজ করে থাকে । এর ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১০০ জন জীবন জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন । দেশের মাছের চাহিদা পুরণ ও আমিষের অভাব পুরণে ও তার অবদান অনস্বীকার্য। জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের অবদান বিবেচনায় এনে মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্বশীল সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা গ্রামীন বেকার ও ভূমিহীনদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগসৃষ্টিসহ অন্যান্য পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২২ উপলক্ষে তিনি জেলা মৎস্য দপ্তর, জয়পুরহাট থেকে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষি পুরস্কার লাভ করেন।

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন